Total Pageviews

Tuesday, November 15, 2016

নাস্তিকরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী!

নাস্তিকরা প্রায়ই একটা কথা বলে থাকেন সেটা হল তারা কোন ধর্মে বিশ্বাসী নন। একটা মানুষ তখনই নিজেকে নাস্তিক বলে অভিহিত করেন যখন তিনি তার নিজ ধর্মের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেন আর নিজ ধর্মের প্রতি তখনই একজন ব্যক্তি অনির্ভরশীল হয়ে পড়েন যখন তিনি সেটার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি বিচ্যুতি খুঁজে পান। তাহলে নাস্তিকরা কিসে বিশ্বাসী? তারা তো কিছু না কিছুতে বিশ্বাসী। হ্যাঁ তারা আসলে মানব ধর্মে বিশ্বাসী। একজন মানুষ যখন মানব ধর্ম পালন করবেন অর্থাৎ মানুষ তথা জীব জগতের জন্য কল্যাণকর হবেন তখন তিনি কিন্তু প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হিন্দু তথা সনাতন ধর্মকেই সমর্থন করছেন কারন হিন্দু ধর্মেই আছে-”জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেঁবিছে ঈশ্বর” অর্থাৎ জীব সেবা মানে ঈশ্বরকে সেবা করা। এছাড়া বেদে ভগবান বলেছেন সকল জীবের মধ্যেই ঈশ্বর নিহীত তাই আমি পৃথিবীর সকল নাস্তিকদের বলব আপনারা নিজেদেরকে নাস্তিক মনে না করে হিন্দু ধর্মের একজন একান্ত অনুসারী মনে করতে পারেন।
 
চিত্রঃ হিন্দু ধর্মের প্রধান প্রতিকৃতি।

Tuesday, November 8, 2016

হিলারি সমর্থকদের কাঁচকলা দেখিয়ে নির্বাচনে জিততে চলেছেন ডোনাল্ট ট্রাম্প!

চিত্রঃ হাস্যোজ্বল ডোনাল্ট ট্রাম্প।

আমি কোন রাজনীতিবিদ নয় অথবা রাজনৈতিক বিশ্লেষকও নয়। তবে প্রথম থেকেই আমি বলে আসছি মার্কিন নির্বাচনে ডোনাল্ট ট্রাম্পই এগিয়ে থাকবেন আর বাস্তবে সেটাই হতে চলেছে। এটা বোঝার জন্য কোন জরিপ টরিপ এর প্রয়োজন হয় না ঘটে একটু থাকলেই হয়। ডোনাল্ট ট্রাম্পের এগিয়ে থাকার কয়েকটি কারন আমি নিচে উল্লেখ করছি।
১.তিনি একজন টিভি উপস্হাপক এবং সফল ব্যাবসায়ী একারনে তিনি ভালভাবেই জানেন কি বললে বা করলে আমেরিকানদের সেন্টিমেন্ট গ্রো করবে।
২.তিনি কট্টর এবং নিজের বক্তব্যের উপর যথেষ্ট আস্থাশীল ও স্পষ্টভাষী বক্তা যেটা আমেরিকানরা খুব পছন্দ করে।
৩.আমেরিকান নাগরিকদের কাছে প্রথম প্রাধান্যের বিষয় হচ্ছে তাদের সিকিউরিটি যেটা ট্রাম্পই তাদেরকে দিতে পারবে বলে তাদের ধারনা কারন হিলারি নিজের ই-মেইলের সিকিউরিটি পর্যন্ত রাখতে পারেন না, তিনি সমগ্র আমেরিকানদের সিকিউরিটি কিভাবে দিবেন?
৪.আমেরিকাকে বলা হয় ফ্রি সেক্স এর দেশ। সেখানে ট্রাম্পের সামান্য যৌন বিষয়ক ব্যাপার নিয়ে জলঘোলা করায় একশ্রেনীর মানুষ ব্যাপক বিব্রত হয়েছে। এতে ট্রাম্পের ক্ষতির চেয়ে বরঞ্চ লাভই হয়েছে বলে আমার ধারনা।
৫.এছাড়া ট্রাম্পের সাবেক স্ত্রী ও প্রেমিকারা সবাই একযোগে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেওয়ায় আমেরিকার একশ্রেনীর শ্বেতকায় নারীদের কাছে তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তারা তাকে একজন দক্ষ ও সফল স্বামী ও রোমান্টিক প্রেমিক হিসেবে দেখছে।
৬.বিশ্বের অধিকাংশ মিডিয়াগুলো তাঁর বিপক্ষে অবস্হান নেওয়ায় আমেরিকার মধ্যবিত্ত ও খেঁটে খাওয়া মানুষের কাছে তিনি সহানুভূতির পাত্র হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন যেকারনে তাদের সমর্থন আদায়ে তিনি সক্ষম হয়েছেন।
৭.জঙ্গীদের ব্যাপারে হিলারির বক্তব্য সুস্পষ্ট নয় কিন্তু ট্রাম্প বলেছেন রাশিয়ার সাথে একযোগে কাজ করে জঙ্গী দ্রুত নির্মুল করতে হবে যেটা একশ্রেনীর মানুষ জোরালো সমর্থন করেছেন।
৮.আর আমেরিকানরা মহিলা প্রেসিডেন্ট পছন্দ করে না সেটা তো আছেই। এখানে উল্লেখ্য ২৪০ বছরের ইতিহাসে আমেরিকায়
কোন মহিলা প্রেসিডেন্ট হতে পারে নি।

সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা জানে,ঠেলা দিলে মালাউন শেষ পর্যন্ত ভারতেই যাবে।

চিত্র: নাসিরনগরে মুসলিম কর্তৃক হিন্দু আক্রমনের বাস্তব প্রতিফলন।

কদিন ধরে দেশের যে অবস্থা দেখছি ,ভাবছি আমরা হিন্দুরা আসলে কোথায় কার কাছে যাবো? আমার আঁট ত্রিশ বছরে এরশাদ আমল দেখেছি,বিএনপি ,আওয়ামীলীগ দেখেছি৷ আমার জন্ম আটাত্তরে,একটু বড় হয়ে জেনেছি যে এরশাদ আমলে হিন্দু মুসলমান ততটা হানাহানি ছিল না,তবে গ্রামে দখল ছিল ওদের,হিন্দুর পাকা ফলটা অলিখিতভাবে মুসলমান প্রতিবেশীদের! আমার এখনও মনে আছে,ফল ভালোভাবে পাকার আগেই গাছ থেকে নামিয়ে ফেলতে হতো,পাছে পাকাটার ভাগ না পাওয়া যায়! তারপর এলো বিএনপি আওয়ামীলীগের আমল,আগে তো লুকিয়ে ফল নিতো আর এখন লগি নিয়ে সামনে থেকেই ফল নিয়ে যায়৷ এটা যে সবাই করে তা নয়! তবে আমি অকপটে স্বীকার করছি সব মুসলমান কিন্তু এক নয়, আমার এমন অনেক মুসলমান বন্ধু আছে,যারা অসভ্য নয়৷ আমার জন্মের পর এরশাদ আমলে মুসলমানদের তান্ডব দেখা দেখা গেল ভারতে বাবরী মসজিদ ভাঙ্গা নিয়ে৷ গ্রাম,শহর জ্বালাও পোড়াও অবস্থা! আমি তখন নবম শ্রেণির ছাত্রী, পাড়ায় পাড়ায় পালা করে আমার বাবাসহ অন্যান্যরা ও পাড়ার ছেলেরা বাড়ি আর মেয়েদের পাহারা দিতো৷ আমাদের এক প্রতিবেশী মুসলমান স্যার বললেন,এতো ভয় পাও কেন? আমাদের বাসা তোমাদের জন্য ফ্রী৷ ভরসা পেলাম,যাহোক কিছু হলে স্যারের বাসাতে তো উঠতে পারব! পরেরদিনই স্যার কথায় কথায় বললেন,দেখ টুলু,মন্দির ভাঙাটা স্বাভাবিক কারন ওরা আমাদের মসজিদ ভেঙেছে। আমি অবাক হয়ে বললাম,স্যার মন্দির মসজিদ তো একই,এটাও উপসনালয় একইভাবে ওটাও। আমরা তো মানে এ দেশের হিন্দুরা তো কিছু করেনি,আমাদের কি দোষ? তখন ছোট ছিলাম,এখন ভাবি, বুঝে না বুঝে কত বড় কথা বলেছি। মনে মনে বললাম,ঘরে মরবো তবুও ওনার বাসায় যাবোনা৷ তখন থেকেই আমার আত্মীয়রা আস্তে আস্তে ভারতমুখী হতে শুরু করল৷ তারপর বিএনপি এলো ক্ষমতায়,এবারও হিন্দুদের দোষ,তারা নৌকাতে ভোট দিয়েছে,সেটাই অপরাধ! ঘরে আগুন দেয়া,হিন্দু মেয়ে মুসলমান বানানো,অল্প জমি কিনে দখল করে বাকিটা। আবারও হিন্দুরা ভারতমুখী! তারপর আসে আওয়ামীলীগ! এবারও হিন্দুর ঘর পোড়ে! দোষ কি? বিএনপিকে ভোট না দেওয়া! আবারও হিন্দুরা মানসম্মান খুঁইয়ে ভারতমুখী! যারা সম্মান হারায়নি তারাও সম্মানের ভয়ে ভারতমুখী! তাহলে হিন্দুদের দোষ কোথায়? চিরকাল আওয়ামীলীগকে ভোট দেয়া? যে দলই আসুক, হিন্দুদের কেন ঘর পোড়ে? আসলে সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা জানে,ঠেলা দিলে মালাউন ভারত যাবে,আমরা সব দল চেটেপুটে খাবো! তারা তো ব্যাবসা-বাণিজ্য,বিয়ে দেয়া সবকিছুতেই মিলেমিশে একাকার! কে শিবির! কে বিএনপি! কে আওয়ামীলীগ! তাদের মধ্যে গলায় গলায় খাতির। হিন্দুদের উপর যখন অত্যাচার হয় তখন কোথায় থাকে হাসুবুর সৈনিকরা? কোথায় থাকে? মজা লুটে? তখন তারা সব এক! ভাই ভাই।
#‌লি‌খে‌ছেন~টুলু মজুমদার।

নদীতে সারারাত গলা ডুবিয়ে রেখে সম্ভ্রম রক্ষা করেছে নাসিরনগরের অনেক হিন্দু নারীরা!

চিত্রঃ নাসিরগনরে ধংসস্তুপের একাংশ।

সেদিন এক সাংবাদিক আমাকে হঠাৎ এসে বলল- কাকা, হামলার সময় ঐদিন কি করছিলেন আপনি? কোন হামলার সময় ৭১-এর, নাকি ২০১৬? এই যে কয়েকদিন আগে যে হামলাটা হয়েছিল সেটার কথা বলছি। আমি ছিলাম আমার নাতিটাকে সাথে নিয়ে বসা। সে বলছিল, দাদু মাইকে চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে কি নিয়ে কথা হয়? আমি বললাম ও কিছু না, তুমি ছোট মানুষ এসব বুঝবা না। এর একটু পরেই তো লাঠিসোটা নিয়ে কয়েকজন এসে পাশে সুবলদের বাড়িতে হামলা চালাল। নাতির এক হাত ধরে টান মেরে বললাম দৌঁড়া। বাসার সবাইকে চিক্কুর দিয়া বললাম কে কোথায় আছো পালাও। তারপর দিশেহারার মতো ছুটতে লাগলাম। মনে হচ্ছিল সেই ৭১-এ একবার যে দৌঁড় দিছিলাম পাকিস্তানিদের ভয়ে, সেই দৌঁড় যেন আবারও দিলাম। পার্থক্য হলো ৭১-এ বয়স আছিল কম, দৌঁড়ে পালাইতে তেমন কষ্ট হয় নাই। এখন চুল সাদা হয়ে গেছে, শরীরে শক্তি তেমন নাই। মনে আছে আমার, ৭১-এ একবার মুখোমুখি হয়ে গিয়েছিলাম এক অসভ্য পাকিস্তানির। আমার দিকে বন্দুক তাক করে বলল,'তু মুক্তি হ্যায়'? আমি বললাম, জ্বি না সাব। নেহি, ম্যায় মুক্তি নেহি হ্যায়। এরপরেও লাথি মারলো কয়েকবার পেটে ও পিঠে। আমি লাথি খেয়ে মরার মতো ভান করে পড়ে থাকলাম। এরপর আর কিছুক্ষণ লাথি মেরে চলে গেল মালাউনের বাচ্চা বলে। তখন তো মুক্তি মানেই বাংলাদেশ পক্ষ আর বাংলাদেশ পক্ষ মানেই হিন্দু, সাচ্চা মুসলমান না! এইবার নাতিরে নিয়া দৌঁড়াতে গিয়া পড়ে গেছি হঠাৎ। নাতি ভয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দিল। পিছন থেকে একজন এসে লাঠি দিয়া বাড়ি দিয়া বলল, এই ব্যাটা তুই তো হিন্দু! আমার নাতি একাত্তর দেখে নাই, সেই পাকিস্তানিদের ভয়ংকর চেহেরা,তাদের চোখও সে দেখে নাই। কিন্তু আমি দেখেছিলাম। অনেকদিন পর মনে হলো সেই চোখ জোড়া আবার দেখতে পেলাম। সেই ৭১-এ পালিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলাম পাকিস্তানিদের কাছ থেকে। এইবারও পালিয়ে বাঁচতে গিয়েছিলাম। তবে পাকিস্তানিদের কাছ থেকে নয়, কিছু বাঙালি নামে নরপশুদের হাত থেকে। সে সময় এই বাঙালিরা সাচ্চা মুসলমান ছিল না পাকিদের চোখে। এখন তাদের সাথে পাকিদের তেমন কোন তফাত পাই না আর। পাকিরা এখনকার পরিস্থিতি দেখে নিশ্চয় মনে মনে বলছে- ”সব সাচ্চা মুসলমান হো গ্যায়া” যা হোক অতপর কোন ভাবে পালিয়ে নিরাপদ স্থানে গেলাম। নাতি আমারে হাঁফাতে হাঁফাতে বলল- দাদু আমরা এদের দেখে পালাই কেন? আবার কি সেই ৭১ ফিরে আসছে? আমি কি উত্তর দিব ভেবে পেলাম না। তবে এখন মনে হয় ৭১-এ মরার মতো ভান করে পড়ে থাকাটা ভুল ছিল। মরে যাওয়ায় উচিত ছিল। নাতি আমার কাছে আবার জানতে চায় দাদু পাকিস্তানিরা আবার কি ফিরে আসছে? আমি উত্তর দেই, নারে তাদের আর ফিরে আসার দরকার নাই, দেশটাই তো আস্তে আস্তে পাকিস্তান হয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানিরা আমাদের দেশের এই অবস্থা দেখে মুখ টিপে টিপে হাসছে হয়তো! এই ঘটনার বর্ণনাটা সম্পূর্ণ কাল্পনিক, তবে এমন সব ঘটনা সেদিন নাসিরনগরে ঘটেছে যা একাত্তরকেও  হার মানিয়েছে। তেমন একটা খবর পড়লাম- ”তিতাস নদীতে সারারাত গলা ডুবিয়ে রেখে সম্ভ্রম রক্ষা করেছে নাসিরনগরের অনেক হিন্দু নারীরা।”
#‌লি‌খে‌ছেন~অজ্ঞাতনামা এক নারী।

Sunday, November 6, 2016

”মালাউন” শব্দের অপপ্রয়োগ ও এদেশের হিন্দু।

মালাউন শব্দটি বাংলাদেশে মূলত: বাঙালি হিন্দুদের উপর ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এইটাকে গালি ভাবার তেমন কোন কারন নেই। এটা মনে রাখা দরকার হিন্দুরা খুবই বিনয়ী এবং ভদ্র একটি জাতি। এরা নিজেরা পরিশ্রম করে খায়,অন্যের সাহায্যপ্রার্থী না হয়ে। এরা নিজেদের ধর্মের প্রতি যেমন আত্মবিশ্বাসী তেমনি অন্যের ধর্মের প্রতিও যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল। ধর্মকে ব্যবহার করে জ্বালাও পোড়াও তো পড়ে মরুক, একটা গালি পর্যন্ত দিতে এরা কুন্ঠাবোধ করে। যাই হোক যা বলছিলাম; সেটা হল-মালাউন শব্দটি মুলত আরবী শব্দ ملعون থেকে উদ্ভূত যার অর্থ অভিশপ্ত বা আল্লাহর অভিশাপপ্রাপ্ত। ১৯৪৬ সালে নির্মলকুমার বসু মোহনদাস গান্ধীর সঙ্গে নোয়াখালিতে সেবামূলক কাজ করতে আসেন। তিনি লক্ষ্য করেন হিন্দুদের মালাউন বলে গালি দেওয়ার রীতি। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ গণহত্যা চলাকালীন পাকিস্তানি সেনারা বিশিষ্ট বাঙালি হিন্দু অধ্যাপক ড: গোবিন্দচন্দ্র দেবকে হত্যা করে। হত্যা করার পূর্বে তাঁকে মালাউন বলে সম্বোধন করে পাকি সেনারা। ১৩ই এপ্রিল সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী নিজে আর এক বিশিষ্ট বাঙালি হিন্দু দানবীর নূতনচন্দ্র সিংহকে নিজে গুলি করে হত্যা করেন। উপস্থিত মুসলমানরা নূতনচন্দ্র সিংহের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলে তাদের ভর্ৎসনা করে তিনি বলেন, সামান্য একটা মালাউনের মৃত্যুতে এত শোক প্রকাশ করার কি আছে! অবশ্য শেষ পর্যন্ত তার ফাঁসি হয়েছে। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সন্ত্রাসীদের হাতে মন্দির ও প্রতিমা ভাংচুর এবং হিন্দু বাড়ি লুট হবার প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেছেন, "মালাউনের বাচ্চারা বেশী বাড়াবাড়ি করছে"। এই আওয়াকে ৬০.৫ বার নাকে খত দিয়ে মন্ত্রীসভা থেকে বের করে দিলেই আমরা খুশি। কারন আমাদের ভোটও তো ওই গন্য মান্য জঘন্য ব্যক্তির থলেতে বিদ্যমান।